রুহুল আমিন সুজন: গাজীপুরের শ্রীপুরে ধর্ষণ অপরাদ ভিন্নখাতে নেওয়ার চেষ্টা,ধর্ষণকারীর মামলা। বরমী ইউনিয়নে কাশিজলি গ্রামে প্রতিবন্ধী এক কিশোরী তাজিন (১৫) কে বার বার ধর্ষণর ঘটনা দমাচাপা দিতে গিয়ে ধর্ষকের নেশা আশক্ত ছেলে শাহিন (৩১) ধর্ষণ ঘটনাটি ভিন্ন খাতে নেওয়ার চেষ্টা করছে।ধর্ষকের মেয়ের জামাতার ডাকে সমাজসেবা জড়িত কিছু ব্যক্তিবর্গ মেয়ের জামাই এর সিধান্তে ও হযরত আলীর স্ত্রীর হাতে পায়ে ধরা কান্নাকাটির কারনে ও সমাজের সকল লোকের অনুরোধে ধর্ষণ ঘটনাটি এক প্রকার আইনি প্রক্রিয়ার আড়ালে চলে গেলে।
হঠাৎ ২দিন পরে ধর্ষক হযরত আলীর মেয়ের জামাই রফিকুল ইসলাম পাঠান শশুরের কাছ থেকে ৫,০০০ টাকা ধার চাওয়া ঘটনাকে কেন্দ্র করে। নেশাগ্রস্ত ছেলে শাহিন ও স্ত্রী মমতাজ বেগম এর উস্কানিতে ধর্ষক হযরত আলী ২ জন সাংবাদিক সহ মোট ৭ জনের নামে জেলা জর্জ কোটে ৫ লক্ষ টাকা চাদাঁ দাবির মিথ্যে মামলা দায়ের করে।
এ বিষয়ে লোকমুখে জানা জানি হলে গ্রামের সাধারণ মানুষের মনে ক্ষোভের সঞ্চার হয়। গতকাল দুপুরে কাশিজলি নতুন বাজারে গ্রামের মানুষ একত্রিত হয়ে বিভিন্ন মিডিয়া প্রিন্ট মিডিয়ার মাধ্যমে প্রশাসনের কাছে ধর্ষক হযরত আলীর বিচার ও মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারে এবং হযরত আলী ও তার ছেলে মাদক বিক্রেতা ও মাদক সেবনকারীর বিচার দাবি করেন।
ধর্ষণ ঘটনা প্রধান অভিযোগ কারী নিজে বহু ও পরিবারের অনেকে মেয়েলি কেলেঙ্কারি রয়েছে বলে জানিয়েছ অত্র অঞ্চলের সাধারণ মানুষ।নিরুপায় ধর্ষণের শিকার কিশোরী মেয়ে তাজিন (১৫) নিজে বাদী হয়ে গতকাল ২৯/০৪/০২৬ ইং তারিখে শ্রীপুরে মডেল থানায় হযরত আলীর বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণ অভিযোগ দায়ের করেছে। শান্তি প্রিয় বরমী ইউনিয়নের কাশিজলি গ্রামে এমন ষাট উদ্দো ব্যক্তির দ্বারা প্রতিবন্ধী কিশোরী ধর্ষণ কারীর কঠিন বিচার হওয়া ঐ অঞ্চলের সাধারণ মানুষের চাওয়া। শ্রীপুর মডেল থানা দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসির মোবাইলে বহু বার ফোন করেও ধর্ষণের অভিযোগের এ খবর পাওয়া সম্ভব হয়নি।