রাজধানীর পূর্ব রাজাবাজারে অবস্থান নাজনীন স্কুল এণ্ড কলেজ। এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে যাতায়াতের অনেক গুলো সড়কের অন্যতম একটি হচ্ছে পান্থপথ। গ্রীণরোড় হয়ে পান্থপথের সমরিতা হাসপাতাল সংলগ্ন পূর্বমুখী ওই স্কুলে যাবার জন্য রয়েছে একটি রাস্তা। গ্রীনরোড, সাইন্সল্যাবরেটরি, হাতিরপুলসহ আশপাশে বসবাসরত শিক্ষার্থীরা ওই পথ ধরেই স্কুলে যাতায়াত করেন। পান্থপথের ওই রোড থেকে স্কুলটির দূরত্ব মাত্র দুশ মিটার।

কিন্তুু রাস্তাটির প্রবেশ পথেই শিক্ষার্থীসহ চলাচলরত মানুষজনকে প্রায়ই বিড়ন্বনার শিকার হতে হয়। কারন প্রবেশ পথের দুপাশেই সার্বক্ষনিক পার্কিংরত অবস্থায় দেখা যায় রিকশা। মনে হয় যেন রিকশার গ্যারেজ। আসলে দুপাশে টিন দিয়ে ঘেরা বাউণ্ডারীর পাশে রাখা রিকশার মধ্যে বসে এক শ্রেণীর মাদকসেবিরা আড্ডা দেয়।
সিগারেটের ভেতরে গাঁজা ভরে তা সেবন করে। শুধু তা-ই নয়। ওই রিকশাগুলোকে ঘিরে সেখানে গড়ে উঠেছে মাদকের স্পট। প্রতিদিন লাখ লাখ টাকার মাদক বিক্রি হয়। এছাড়া ওই পথ ধরে নারী শিক্ষার্থীরা যাতায়াতকালে রিকশায় বসে থাকা বখাটেরা তাদের উদ্দেশ্যে অশোভন অঙ্গভঙ্গি, শিসদেয়াসহ কূরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেন। স্থানীয়দের অভিযোগ, নানা পেশার মানুষ এখান থেকে মাদক ক্রয় ও সেবন করে।

স্থানীয় একজন মাস্তান এ মাদকের ব্যবসা চালান। পুলিশ সব জেনেও ব্যবস্থা নিচ্ছে না। এলোমেলোভাবে পার্কিং করা রিকশার আড়ালে রাত হতেই ভাসমান পতিতা ও হিজড়াদের নিয়ে অসামাজিক কর্মকাণ্ডে লিপ্ত থাকে একটি অপরাধী চক্র। এলাকাবাসী বলছেন, পাকিংরত ওই রিকশাগুলোকে কেন্দ্র করেই মূলত এসব অপরাধ হয়ে উঠছে। তাই নিরাপত্তার স্বার্থে স্কুলের অন্যতম ওই পথ থেকে রিকশাগুলো উচ্ছেদ করা এখন সময়ের দাবি। অন্যথায় যে কোনো সময় বড় ধরনের অনাকাঙ্খিত ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থেকেই যায়।